- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

মধুপুর (টাংগাইল) প্রতিনিধি
টাংগাইলের মধুপুরে পুলিশের এক এস আই এর বাবার ১৯ মামলার আসামী হয়ে আজ বৃদ্ধা শিশু কেউ রক্ষা পাচ্ছে না। স্থানীয় এলাবাসী তাদের পুলিশ পরিবার কে এক ঘরে রেখেছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান। ঘটনায় জানাযায়, পারিবারিক জমি জমা নিয়ে র্দীঙ্গদিন যাবত পুলিশ এর পিতা মতিয়ার, এর সাথে একই গ্রামের আব্দুল্যাহ সাথে বিরুদ্ধ চলে আসছিল। তার সূত্র ধরে মধুপুর উপজেলার শালিখা গ্রামেরর ঢাকায় কর্মরর্ত পুলিশের এস,আই ইসমাইলে পিতা মতিয়ার একের পর এক মামলা করে গ্রামবাসীদের হয়রানি করে যাচ্ছে। জমির মালিক আব্দুল্লাহ জানান, আমার পিতা ও ২ চাচা,১ ফুফাত বোনের নামে বি আর এস চুড়ান্ত রেকর্ড হয়েছে। আমার পিতার নামের ২৭ শতাংশ জমি অংশ হারে মালিক হইয়া মধুপুর সহকারি কমিশনার ভূমি অফিস হতে ২৭ শতাংশ জমি মালিক হিসাবে খারিজ ও খাজনা পরিশোধ করে ভোগদখল করে আসছি। অন্য দিকে মতিয়ার আমাদের ফুফাত বোনের অংশ ৭ শতাংশ জমি পুলিশ অফিসারের বাবা ক্রয় করেছে । অন্য চাচার অংশ চাচা নিজে বাড়ী ঘর করে বসবাস করছে। অন্য দিকে পুলিশের বাবা তার নিজের নামীয় ২৭ শতাংশ সহ আমার ২৭ শতাংশ জমি বেদখ করে বাড়ী ঘর নির্মানের চেষ্টার সময় বাধা দিলে গ্রাম্য শালিশী বৈঠকে অন্য ধানী জমি হতে ১৭ শতাংশ অন্য জমি হতে ১০ শতাংশ জমি মৌখিক রেওয়াজ করে দেন। তাদের দেওয়া কথায় ১৭ শতাংশ জমি ছেড়ে দিয়ে বাকী ১০ শতাংশ ছেড়ে না দিয়ে একের পর এক মামলা দিতে দিতে আজ ১৯ টি মামলা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন জমির মালিক আব্দুল্লাহ। ভুক্ত ভোগী পরিবার জানান,জমি মৌখিক ভাবে রেওয়াজ দিয়ে দখল ছেলে দিলেও উক্ত জমির উপর আবার মামলা করেন। উপরোক্ত ঘটনা নিয়ে একাধিক মামলা করেছে মামলা বাজ মতিয়ার । গত ১০মার্চ দুপুরে উক্ত জমি নিয়ে মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ১৪৪ ধারার মামলার তদন্ত করার জন্য সরেজমিনে আসেন। তদন্ত সঠিক ভাবে করার জন্য উভয় পক্ষের স্বাক্ষী গ্রহণ শেষ করে চলে যান সহকারি কমিশনার ভূমি। এমন সময় উভয় পক্ষের মহিলাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। খবর পেয়ে উভয় পক্ষের পুরুষ মানুষ বিষয়টি নিয়ে কথা কাটা কাটি হয়। এমন সময় পুলিশ অফিসার পিতা মতিয়ার জমির মালিক রেজাউল কে হত্যার উদ্দেশ্যে করে মাথায় বাড়ী দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় বলে জানান জমির মালিক রেজাউল । এমন সময় উভয় পক্ষের মধ্যে মারা মারি হয়। মারামারিতে পুলিশ অফিসারে মা– বাবা মতিয়ার– ভাই এর স্ত্রী চাচা আহত হয়। এমন সময় জমির মালিক রেজাউল কে মরিচের গুড়া দিয়ে চোখ মুখে মাখিয়ে দেয় মতিয়ারের লোকজন। ঘটনায় উভয় পক্ষে ৫/৭ জন আহত হয়। ঘটনায় উভয় পক্ষের লোকজন মধুপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। ঘটনার দিন রাতে পুলিশ অফিসারে বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে ৪ জন কে গ্রেয়তার করে জেল হাজতে পাঠান মধুপুর থানা পুলিশ। অন্য দিকে আসামী পক্ষ মামলা দিতে মধুপুর থানায় গেলে তাদের মামলা না নেওয়ার অভিযোগ করে। ঘটনা নিয়ে পুলিশ অফিসারের পিতা মতিয়ার জানান,আব্দুল্যাহসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আমার একাদিক মামলা আদালতে চলমান আছে । ঘটনার দিন এসিল্যান্ড তদন্ত করে চলে গেলে রেজাউল আমার পরিবারের লোকজনের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমন করেন। এমন সময় আমার স্ত্রী,ভাই পুত্র বধু,ও আমাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে আমি মধুপুর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করিলে বিবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হিসাবে মধুপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। বিষয়টি আপোষ মিমাংসার কথা হলে তিনি জানান আমার ছেলে পুলিশ অফিসার উপরের অনেক কর্মকর্তাদের দিয়ে ফোন করিয়ে আমাদের মামলা করানো হয়েছে। তাই মামলা আপোশ মিমাংসা হলে তাদের মান খুন্ন হবে। তাই আপোষ হওয়া যাবে না। সমাজের মধ্যে আলাদা করে রাখার বিষয়টি নিয়ে মতিয়ার রহমান আরও বলেন, সমাজের মানুষের কারনে আজ আমরা প্রায় বাড়ী থেকে কোন অন্য বাড়ীতে গেলে এক কিলোমিটার ঘুরে অন্য এলাকায় যাতায়াত করি। মামলা বিষয়ে জাতে চাইলে তিনি বলেন,এত মামলা শুধু তাদের কারনে। তারা আমাদের জমি বেদখল করে রেখেছে। আসামীরা ভাল মানুষ না। তারা খুব খারাপ মানুষ। আমি তাদের বিচার চাই। মতিয়ারের ভাই বলেন,আমার অংশ ২৭ শতাংশ জমি আমার আছে। আমি অন্য কারো জমি দখল করি নাই। আমার ভাই মতিয়ারের কাগজ আছে সেই হিসাবে জমি দখল করে আছে। আমি আসামীদের বিচার চাই। গ্রামবাসী ঘটনার সর্ম্পকে জানান, আমাদের গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে ইসমাইল যে দিন থেকে পুলিশ অফিসার হয়েছে, সেই দিন থেকে তার বাবা মতিয়ার আমাদের গ্রামের মাথা হয়ে গেছে। আওয়ামীলীগের সহসভাপতি হিসাবে তার ছেলে আওয়ামীলীগের রাজনৈতি করার কারনে পুলিশে চাকরী হয়েছে। তারা এখন সমাজের রাজা। কিছু হলেই মতিয়ার এর ছেলে ইসমাইল কে দিয়ে গ্রামের বিভিন্ন লোক জনের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করার কারনে আমরা গ্রাম বাসী তাদের সমাজ আলাদা করে দিয়েছি। তারা এখন পুলিশ অফিসার এর ক্ষমতা দেখায়। পুলিশ অফিসার ইসলামই বাড়ীতে না আসলেই তার কু– পরার্মশে আজ একটি পরিবারের বিরুদ্ধে ১৯ টি মামলা হয়েছে। আমারা এই পরিবার হতে গ্রামবাসী প্রতিকার চাই সরকারের নিকট। অথবা সচেতন মহলের নিকট আমাদের আকুল আবেদন অতিদ্রুত আমাদের গ্রামের এই বিরুদ্ধটি মিমাংসা করে দিলে তারে প্রতি সারাটি জীবন কৃতজ্ঞ থাকব।
Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.