- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় প্রতিনিয়ত মানুষের ভিড় অব্যাহত রয়েছে। ঢাকামুখী মানুষ যেমন নদী পাড়ি দিতে দৌলতদিয়ায় ভিড় করছে। পাশাপাশি রাজধানী ছেড়ে আসা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী মানুষ নদী পাড়ি দিয়ে এসে ভিড় করছে। তবে যানবাহনের বাড়তি ভাড়ার কারণে বাড়তি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এসব মানুষ। শনিবার দুপুরে সরেজমিনে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় এই চিত্র দেখা গেছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম বলেন, লকডাউন কিছুটা শিথিল হওয়ায় যাত্রী পারাপার অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে প্রতিদিন সকালের দিকে ফেরিতে ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে যাত্রীর চাপ থাকছে। ঢাকামুখী মানুষের চাপ থাকছে বেশি। বিপরীত দিকে ঢাকা ছেড়ে আসা মানুষের ভিড়ও কম না। একইসঙ্গে বেড়েছে ছোট গাড়ির চাপও। এসব গাড়ি পারাপার নিষেধ থাকলেও প্রশাসনের বিশেষ পাস নিয়ে আসায় বাধ্য হয়ে আমরা তাদের পার করছি।
দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, ৩ ও ৪নম্বর ঘাট দিয়ে ছোট ফেরিগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে সাধারণ যাত্রীরা আসা-যাওয়া করছেন। ৩ নম্বর ঘাটে নদী পাড়ি দিয়ে আসা ছোট ফেরি চন্দ্র মল্লিকায় করে নদী পাড়ি দিয়ে আসা ফরিদপুরের মধুখালীর বাড়ি যাচ্ছিলেন কৌশিক আহম্মেদ। তিনি বলেন, কাঁচা মালের ব্যবসা করি বলে রাতে ট্রাকে ঢাকায় গিয়েছিলাম। রাতে আরো কিছু কাজ থাকায় সকালে ভেঙে ভেঙে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় আসি।
কোশিক বলেন, নদী পাড়ি দিয়ে এখন পড়েছি বিপাকে। অন্য কোনো যান না থাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা করে অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে ২০০ টাকা করে ভাড়া দিয়ে রওয়ানা করছি। মধুখালি পৌঁছতে দুই ঘণ্টার মতো লাগবে। কিছু করার নাই, যেতে হবেই। অথচ স্বাভাবিক সময় মধুখালি থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে আসতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা খরচ হতো।
এভাবে ঝিনাইদহ থেকে গাজীপুর যাচ্ছিলেন সাইফুল ইসলাম ও তার ছোট ভাই। দুজনই গাজীপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। করোনায় লকডাউনের কারণে কর্তৃপক্ষকে জানালেও লকডাউন অনেকটা শিথিল হওয়ায় অফিসে যেতে বলেছেন। করোনার ঝুঁকি এড়াতে বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেলে ৮০০ টাকা দিয়ে রিজার্ভ করে দৌলতদিয়ায় এসে পৌঁছান।
সাইফুল বলেন, এখন নদী পাড়ি দিয়ে কিভাবে যাব সেই চিন্তা করছি। পারলে পাটুরিয়া থেকে মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ি রিজার্ভ করে যাব। না পারলে বাধ্য হয়ে বিকল্প যানবাহনে পৌঁছতে হবে। চাকরিতো আগে রক্ষা করতে হবে। করোনায় আমাদের বিপদের পর বিপদ ফেলে দিয়েছে। একদিকে রোজগারের পথ অনেকটা বন্ধের উপক্রম। অন্যদিকে ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.