- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি : মানুষ মানুষের জন্য। জীবন জীবনের জন্য। এই অমিয় বাণী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কণ্যা দূরদর্শী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপলদ্বি করতে পেয়ে হাতে নিয়েছেন অসহায় আশ্রয়হীন মানুষের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প। বঙ্গঁবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষেও তিনি বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ ইতি মধ্যেই এগিয়ে নিয়েছেন । এ ছ্ড়্াাও জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পও রয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু হায়! চোরায় না শুনে ধর্মের কাহিনী। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অসাধু কর্মকর্তা বা দায়িত্বশীল কতিপয় ব্যক্তিবর্গের অনিয়মের কারণে প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ আশানুরুপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগ্রাম এলাকায় গিয়ে রেহেনা নামে (৬০) এক দুঃস্থ মহিলার সাথে কথা হয়। সরজমিনে দেখা যায়, স্বামীর বসত ভিটা না থাকায় ৪টি কণ্যসহ তিনি আশ্রয় নিয়েছেন দিন মজুর ভাইয়ের বাড়ীতে। বড় ভাইয়ের একমাত্র সম্ভল ৫শতাংশ জমি। যেখানে উত্তর দূয়ারী ১৫হাত লম্বা একটি দু,চালা টিনের ঘর। অর্থের অভাবে দীর্ঘদিন মেরামত না করতে পারায় একমাত্র মাথা গুজার ঠাই ওই ঘরটি ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম। পড়ে যাওয়ার ভয়ে পিছনের দিকটায় রশি দিয়ে গাছের সাথে বেধেঁ রাখা হয়েছে। স্থানীয় নেতা বা জনপ্রতিনিধিদের কাছে বার বার ধর্ণা দিয়েও মাথা গুজার জন্য একটি ঘর জুটেনি রেহেনার । যে কোন সময় ঝড়ো যাওয়ায় উড়ে যেতে পারে রেহেনার শেষ আশ্রয়স্থল বড় ভাইয়ের জরাজীর্ণ টিনের ঘরটি। স্থানীয় নেতা বা জনপ্রতিধিদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারায় ঘর মিলেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অসহায় রেহেনা বলেন, আমার স্বামী মিলন মিয়া একজন দিন মজুর। তার বসত ভিটা নাই। চার কণ্যাকে নিয়ে ভায়ের বাড়ী আশ্রয় নিয়েছি।মানুষের দান দক্ষিণায় দুটি মেয়েকে অনেক কষ্টে বিয়ে দিয়েছি। একটি মেয়ে আইএ ক্লাসে পড়ে। ছোট মেয়েটি ৭ম শ্রেণিতে পড়ে। তারা কোন উপবৃত্তিও পায়নি। স্বামীর সামান্য উপার্জনে খেয়ে না খেয়ে মেয়েদের লেখা পড়া ও সংসার চলে। রেহানা বলেন, একটি ঘরের জন্য নেতাদের কাছে গিয়েছি। মেম্বারের কাছে গিয়েছি। তারা আমার কাছে কুড়ি হাজার টাকা চায়। টাকা না দিলে ঘর পামু না। কুড়ি হাজার টাকা কই পামু? সরকার কত মানুষের ঘর দিলো আমাগো কপালে ঘর নাই।
স্থানীয় সচেতন মহল ও বিবেকবান মহলের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোড়ালো দাবী, অসহায় রেহার জন্য মাথা গুজার একটি ঘর নির্মান করে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জল করার। মাথা গুজার জন্য ঘর পেলে রেহানার দূর হবে আশ্রয়ের সমস্যা ঠিক তেমনি ভাবমূর্তি উজ্জল হবে সরকারের।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.